Apple Lab – The Most Unprofessional MacBook Repair Shop

আমি নিশ্চিত খোঁজ নিলে দেখা যাবে ১ স্টার দেয়া ভাইটির ডিভাইস থেকে পার্টস খুলে ৫ স্টার দেয়া ভাইটির ডিভাইসে লাগিয়ে দেয়া হয়েছে!

জনাব গাট ফিলিং

আগস্টের ১৫ তারিখে আমার Mac Book Pro 15″ Mid 2015 চলতে চলতে হঠাৎ হ্যাং হয়ে যায়। এরপর গুগল করে, ক্লোজ সার্কেলের হেল্প নিয়ে সাময়িকভাবে সমস্যার সমাধান করি কারণ এর একদিন পরেই ল্যাপটপ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় যা আর চালু করতে পারিনি, শুধু ফ্যান ঘুরত আর চার্জ হত। আমার জেলা এবং বিভাগীয় শহরে Apple ডিভাইসের উপযুক্ত কোন সার্ভিস সেন্টার না থাকায় আমি ২১ তারিখ রওনা দিয়ে ২২ তারিখ ঢাকায় পৌঁছে যাই। এরপর পরিচিত এক বড় ভাইয়ের রেফারেন্সে Red Apple এ দেখাই। Red Apple থেকে ১ দিন সময় ২৩ তারিখে আমাকে জানানো হয় যে GPU তে সমস্যা, এটি চেঞ্জ করতে হবে কিন্তু তাদের কাছে এই চিপ নেই এবং সাধারণত এটার জন্য তারা ১৫ হাজার টাকা চার্জ করেন। তারা আমাকে ল্যাপটপ কালেক্ট করে নিতে বলেন এবং আমি তা কালেক্ট করি ২৩ তারিখ আনুমানিক বিকেল ৪টার দিকে। এরপর আরেক ভাইয়ের রেফারেন্সে Apple Lab এ ডায়াগনিসেসের জন্য দেই ঐ দিনই বিকেল ৫টার দিকে।

টাইম লাইন:

২৩ আগস্ট ২০২০
বিকাল ৪ঃ৫৪ মিনিটে জনাব জোসেফকে ফোন করে তার শপের এক্স্যাক্ট লোকেশন নেই এবং তার শপ (ADC Empire Plaza) এ ল্যাপটপটি দেই। শপে যিনি বসে ছিলেন তিনি জানান “স্যার দেখে আপনাকে ফোন দিবেন, তখন জানতে পারবেন কি হয়েছে এবং কত টাকা লাগবে”। এরপর ল্যাপটপ জমা দিয়ে শপ থেকে বেরিয়ে আবার ফোন দিয়ে কনফার্ম করি। আমি ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম কিন্তু আমাকে ফোন দেয়া হয়নি, যে ভাইয়ের রেফারেন্সে গিয়েছিলাম জনাব জোসেফ উনাকে ফোন দিয়েছেন এবং বলেছেন GPU তে সমস্যা ১৫ হাজার টাকা খরচ হবে, এছাড়া ব্যাটারিতে একটু সমস্যা আছে। রেফারেন্সের বড়ভাই আমার কলিগ, তাই অফিসে বসেই উনার কাছে সব জানতে পারি। আর জনাব জোসেফ এর জন্য সময় নেন ২ দিন।

২৫ আগস্ট ২০২০
দুপুর ২ঃ১০ এ উনাকে ফোন দেই এবং উনি জানান এখনো কাজ হয়নি, কাজটি জটিল তাই আরও সময় লাগবে, উনি আরও ৪ দিন সময় নেন। কাজের জটিলতা বিবেচনা করে আমিও ওকে বলে রেখে দেই।

২৯ আগস্ট ২০২০
দুপুর ১২ঃ৩৫ মিনিটে জনাব জোসেফকে ফোন দেই এবং জিজ্ঞেস করি আমি কখন ল্যাপটপ কালেক্ট করতে পারব। উনি জানান আজকে মার্কেট বন্ধ তাই আজ হবেনা পরের দিন। বিরক্ত হয়ে জিজ্ঞেস করি মার্কেট বন্ধ এটা উনি আগে জানালেন না কেন? উনি উত্তর দিলেন উনার জানা ছিল না!!! অদ্ভুত না? উল্লেখ্য উনি এই ডেট দেয়ায় আমি আমার আরেকটা প্লান ক্যান্সেল করেছি এবং আমার মনে হতে শুরু করেছে জনাব জোসেফ অন্যের সময়কে গুরুত্ব দেন না, আরও স্পেসিফিক্যালি বললে উনি ক্লায়েন্টের সময় এবং সমস্যাকে গুরুত্ব দেন না।

৩০ আগস্ট ২০২০
দুপুর ৩ঃ৩৮ মিনিটে আমি ফোন দেই। এক্সক্টলি কি কথা হয়েছিল মনে পড়ছে না। তবে সেদিনও দিতে পারবেন না এটা নিশ্চিত বলেছিল কারণ সেদিন সকালে আমার কলিগ বড়ভাইকে ফোন করে বলেছে যে ল্যাপটপ নাকি সকাল থেকে বারবার রিস্টার্ট নিচ্ছে তাই এটা আবার চেক করতে হবে এবং ২ দিন সময় লাগবে।

২ সেপ্টেম্বর ২০২০
দুপুর ৩ঃ১৮ তে ফোন দেই এবং আমাকে জানানো হয় এখনো ফিক্স হয়নি, এটা অনেক সেন্সেটিভ, সিপিইউ এর পাশেই জিপিইউ হওয়ায় দ্রুত গরম হয়ে যাচ্ছে এবং সমস্যা করছে। এটা ফিক্স করতে সময় লাগবে, এজন্য উনি ৪ দিন সময় নেন। আরও জানান যে এই ল্যাপটপের পিছনে উনি অনেক সময় ব্যয় করেছেন, উনি আর সময় ব্যয় করবেন না নিশ্চিত ৪ দিন পর ডেলিভারি ফিক্স যে অবস্থায় থাকে দিয়ে দিবেন। এইদিন উনার সাথে আমি রাগের স্বরে কথা বলি কারণ উনি আমাকে সঠিক সময় দিচ্ছেন না এবং ঠিকভাবে কমিউনিকেট করছেন না।

৬ সেপ্টেম্বর ২০২০
সন্ধ্যা ৬ঃ৪১ মিনিটে উনাকে ফোনে পাই, উনি জানান ১০-১৫ মিনিট পর উনি ফোন করবেন। উল্লেখ্য, আমি দুপুর ৩ঃ৪৭ থেকে ট্রাই করে যাচ্ছিলাম। এরপর স্বাভাবিকভাবে উনার ফোন না আসায় আমি পুনরায় ফোন করি ৭ঃ১৪ মিনিটে। উনি জানান ল্যাপটপ ঠিক হয়েছে পরের দিন কালেক্ট করতে। আমি অনেক রিলিভ ফীল করি সাথে সন্দেহ!

৭ সেপ্টেম্বর ২০২০
দুপুর ৩ঃ৩২ এ ফোন দেই এবং উনার এসিস্টেন্ট ফোন ধরেন (দুপুর ১ঃ৪২ থেকে ট্রাই করছিলাম)। জনাব জোসেফ এর এসিসটেন্ট জানান মাদারবোর্ড নষ্ট হয়ে গেছে এটা চেঞ্জ করতে হবে! আমি ৬ তারিখে জনাব জোসেফ এর কমিট্মেন্টের কথা বলি এবং এসিস্টেন্ট জানান তিনি এব্যাপারে জানেন না! উনি বলেন উনাকে জানানো হয়েছে যে মাদারবোর্ড নষ্ট। আমার প্রচণ্ড মেজাজ গরম হয় এবং আমি উনাদের সার্ভিস নিয়ে যে কতটা হতাশ তা জানাই, এসিস্টেন্ট তোতা পাখির মত শুধু আচ্ছা আচ্ছা বলে যান। আমি মাদারবোর্ড চেঞ্জের খরচ জানতে চাইলে বলেন ৪০ হাজার টাকা লাগবে, আর ফেরত নিতে চাইলে বলে ২ দিন সময় দেয়া লাগবে! ২ দিন কেন লাগবে জিজ্ঞেস করলে জানায় আজকে স্যার বিজি তাই আজ হবেনা আর স্যার মানে জনাব জোসেফ ছাড়া আর কেউ এসবে হাত দেন না। আর পরের দিন নাকি উনাদের অফ ডে তাই ২ দিন সময় লাগবে। মানে আমি ৯ তারিখ দুপুরে পাক্কা ল্যাপটপ ফেরত নিতে পারব।

৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
ফোন না দিয়ে সরাসরি শপে চলে গিয়েছি দুপুরে। শপে উনার আরেক এসিস্টেন্ট জনাব নাজমুল বসেছিল (যিনি ৬ বছর ধরে জনাব জোসেফের সাথে কাজ করছেন, উনার ভাষ্য অনুযায়ী)। জনাব নাজমুলকে আমার রিসিট দেখাই এবং উনি কোন এক ব্যাক্তিকে ফোন করে জানান আমি এসেছি ল্যাপটপ নিতে। এরপর আমাকে জানান জনাব জোসেফ আমাকে ফোন করবেন। আমি ২ ঘণ্টা ধরে বসে থাকি এরমাঝে আরেক ভাইয়ের সাথে কথা হয় যিনি ম্যাকের ব্যাটারি চেঞ্জ করতে আসছেন। আর আরেক ভাই এসে ঘুরে যান কারণ উনার কাজ হয়নি। দুপুর ২টা খুদা লাগছে আর অপেক্ষা করতেও প্রচুর বিরক্ত লাগছে। উপায়ন্ত না পেয়ে আমি নিজেই জনাব জোসেফকে ফোন করি এবং বলি আমি ল্যাপটপ নিতে এসেছি। উনি জানান উনার সাথে আমার সেই বড় ভাইয়ের কথা হয়েছে এবং জনাব জোসেফ নাকি সবকিছু দাড় করাই ফেলছেন। উনার নাকি প্রচুর সময় ব্যয় হইছে দাড় করাইতে। আমি বলি আমার এটা আর ফিক্স করতে হবেনা যেভাবে আছে ফেরত দিতে বলি। উনি বলেন আচ্ছা। অনেকক্ষণ ধরে বসে থাকায় আমি একটু ওয়াশরুমে যাই। এরপর ফিরে আসার পরে জনাব নাজমুল ইসলাম এর কাছে শুনি জনাব জোসেফ, জনাব নাজমুলকে ফোন করেছিলেন এবং বলেছেন মেশিন অলমোস্ট দাড়ায় গেছে কাল মানে ১০ তারিখে আমি কালেক্ট করতে পারব। জনাব নাজমুল নিজে দায়িত্ব নিচ্ছেন উনি কাল নিজ হাতে আমার ল্যাপটপ ফেরত দিবেন ভাল অবস্থায়। আমি জনাব নাজমুলের মোবাইল নম্বর এবং কার্ড নিয়ে চলে আসি। এরমাঝে সবকিছু আপডেট সেই বড় ভাইকে জানাই, যেন ২ জনই আপডেট থাকি। যেহেতু জনাব জোসেফ আমাকে ফোন করেন না!

১০ সেপ্টেম্বর ২০২০
জনাব নাজমুলকে ফোন দেই এবং ল্যাপটপ কালেক্ট করার জন্য আমার আরেক কলিগসহ ল্যাপটপ নিয়ে আসতে যাই। যাবার পর জনাব নাজমুল আমাকে জানান ডিসপ্লে নষ্ট হইছে মেশিন ঠিকভাবে চলছে! আলাদা ডিসপ্লে লাগালে নাকি কাজ করে। উনাদের শপে চেক করার কোন ব্যবস্থা না থাকায় উনি ল্যাপটপের ব্যাককাভার খুলে আমাকে দেখান যে ল্যাপটপের ফ্যান ঘুরছে! উনাকে জানাই যে এটা তো আগেও ঘুরত। উনি জোর গলায় দাবি করেন যে না এটা ফিক্স হইছে শুধু ডিসপ্লে পালটাইলেই ঠিক হয়ে যাবে। এরসাথে উনি আমাকে অফারও করেন যে নতুন নিলে ৩৮ হাজারের মত খরচ হবে আর পুরাতন নিলে ২৫ হাজারের মত এবং আমার জন্য উনি আরও কম করতে পারবেন! উল্লেখ্য ল্যাপটপ হাতে পাবার সাথে সাথে আমি বেশ কিছু জিনিস নোটিশ করি যা আগে ছিল না। ল্যাপটপের ডিসপ্লের সাইডে যে রাবার গুলি দেয়া থাকে তা কেমন ছেড়া ছিল, যেন কেউ চিমটি দিয়ে তুলে ফেলছে (ছবি দেয়া আছে)। এটা আমি জনাব নাজমুলকে জানিয়েছি উনি বলেছেন যে না উনারা এসব নিয়ে কাজ করেন নি এবং কিভাবে ওরকম হয়েছে জানা নাই। ফাইনালি আমি ল্যাপটপ হাতে পেয়েছি এই শুকরিয়া করেই ওই অবস্থাতেই নিয়ে চলে এসেছি। আর এইদিন সকালে কি ৯ তারিখ রাতে জনাব জোসেফ সেই বড় ফোন করেছেন আর বলেছেন এইটাতে উনার প্রচুর সময় গেছে ওই সময় উনি অন্য কাজ করলে ১-২ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারতেন। যদিও উনি অনেক কাজ করেছেন তবুও তিনি কোন সার্ভিস চার্জ নিবেন না কারণ উনার মনে হয়েছে সময় বেশি লেগেছে আর উনি বুঝতে পারছেন না কিভাবে ডিসপ্লে নষ্ট হল, এমনটা উনি কল্পনাও করেন নি, ইত্যাদি ইত্যাদি। আর এসব কারণেই উনি সার্ভিস চার্জ নিবেন না। অনেক বিশাল মনের সিদ্ধান্ত তাইনা?

ভিক্টিম আমার ল্যাপটপ:

ল্যাপটপ নিয়ে সরাসরি অফিসে চলে আসলাম কলিগসহ। এসেই টেস্ট করার জন্য ল্যপটপ ব্যাগ থেকে বের করতে গিয়ে দেখি ভীষণ গরম হয়ে আছে! ঐ যে জনাব নাজমুল চালু করে ছিলেন তারপর আর বন্ধ হয়নি! এইযে সিনারিও বা উপসর্গ তা ল্যাপটপ যখন ফিক্স করার জন্য দিয়েছিলাম তখনও ছিল! এরপর আর বন্ধ করতে না পেরে ব্যাককাভার খুললাম ব্যাটারির লাইন ডিস্কানেক্ট করার জন্য। আর ব্যাককাভার খুলে যা যা আবিষ্কার করলাম তার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না!

  1. মাদারবোর্ডের ৪০% এরও বেশি জায়গা জুড়ে লিকুইড পরে আছে (খুব সম্ভবত সল্ডারিং পেস্ট, কিন্তু এগুলি সোল্ডারিং শেষে ক্লিয়ার করে ফেলার কথা)
  2. কুলার ফ্যানের উপরে যে রাবার প্যাডিং থাকে সেই প্যাডিং নাই
  3. সিপিইউর হিটসিংক এর স্ক্রু একেকটা একেক রকম
  4. এসএসডির নিচে মাদারবোর্ডের স্ক্রু নাই
  5. ব্যাটারি সার্কিটের ১টা স্ক্রু নাই
  6. ব্যাটারি চার্জ নেয়না/চার্জিং সিস্টেম ড্যামেজড (আগে এটা ঠিক ছিল)
  7. মাদারবোর্ডের প্লেসমেন্টে ঠিকনাই কারণ এসএসডিটা পাশের স্পিকারের সাথে লেগে কিছুটা কাত হয়েছিল
  8. আর আগেই যেমনটা বলেছিলাম ডিসপ্লের চারপাশে যে রাবার দেয়া থাকে তা যেন চিমটি কিংবা অন্যকিছু দিয়ে গুতাগুতি করা হয়েছে!
  9. এরপর আলাদা ডিসপ্লে লাগিয়ে চেক করলাম কিন্তু কোন কাজই করলা না! উলটো কিচ্ছুক্ষণ পরপর রিস্টার্ট নিচ্ছিল।
কল রেকর্ড, জনাব জোসেফ এবং জনাব নাজমুলের সাথে

শেষ কথাঃ

এই যে কষ্ট করে সময় নিয়ে পুরো ঘটনা আপনি পড়লেন আর আপনার পড়ার পূর্বে আমি লিখলাম এটা কিন্তু এই ভেবে নয় যে আমি আমার ল্যাপটপ পূর্বের অবস্থায় ফেরত পাব কিংবা যা ঘটেছে তার জন্য জাস্টিস পাব। আবার প্রতিহিংসা থেকেও নয়। আমাদের আশেপাশে এরকম ভন্ড, গলাবাজ, বাটপার প্রচুর আছে। আমরা প্রায়ই এদের দ্বারা প্রতারিত হই আর মহানুভবতা দেখিয়ে মাফ করে দেই। এতে কিন্তু কোন পরিবর্তন আর আসেনা। সত্য গোপন রেখে পরিবর্তন আসবে না। সত্যটা আপনাদের জানিয়ে দিলাম এখন সিদ্ধান্ত আপনার, আপনার মূল্যবান ডিভাইসটি আপনি কার জিম্মায় দিবেন, কার ভরসায় দিবেন, যে যত্ন নিয়ে আপনার ডিভাইসটি ফিক্স করবে! আমি জানি আপনার শখের, আপনার পছন্দের ওয়ার্কস্টেশনটা, আপনার ল্যাপটপটা আপনি কতটা কেয়ার করেন। আমি জানি কারণ আমিও আপনাদের মতই। আপনাদের অনুরোধ করব বিশ্বস্ত কাউকে না পেলে বাসায় ফেলে রাখেন তাও ভাল কিন্তু এমন কেয়ারলেস জায়গায় আপনার মূল্যবান জিনিস দিয়ে মানুষিক অত্যচার আর আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পরবেন না।

আর হ্যাঁ ল্যাপটপ যদি আপনার একমাত্র ওয়ার্কস্টেশন হয় তবে অবশ্যই যতদ্রুত সম্ভব একটা ব্যাকআপ ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপ নিয়ে নিন। ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসের ভরসা নাই, যে কোন সময় বিগড়ে গিয়ে আপনাকে আর্থিক আর মানুষিক চাপে ফেলতে পারে।

জীবন থেকে নেয়া!

Apple Lab এর ওয়েব সাইট: https://www.applelabz.com/
Apple Lab এর ফেসবুক পেজ: https://www.facebook.com/applelabzbd

2 Comments

  1. Khalid Hasan Zibon
    Khalid Hasan Zibon

    The Battery looks damaged as well. Was it like that before giving it to them?

Leave a Reply

%d bloggers like this: